বর্তমান বিশ্বে আইসিটি এক অভূতপুর্ব সাফল্যের নাম। পৃথিবীর সকল কাজ কর্ম নিয়ন্ত্রীত হচ্ছে আইটির মাধ্যমে। আইটি বলতে বুঝায় তথ্য প্রযুক্তি। তবে বিশেষ অর্থে আইটি হচ্ছে সকল ইলেক্ট্র মেথড এর নাম। আইটি সাপোর্ট এবং ট্রেইনিং সেন্টার প্রজেক্টির মাধ্যমে আমরা বেশ কয়েকটি উপায়ে লাভবান হতে পারি। 

এই সেক্টরের মাধ্যমে কোম্পানি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মধ্য দিয়ে দুর করবে  বেকারত্ব। নিম্নে প্রজেক্ট সম্পর্কে বর্ণনা করা হলঃ

ক. আইটি সাপোর্টঃ আইটি সাপোর্ট বলতে সব ধরনের আইটি “সহযোগী”তা কে বুঝায়। পৃথিবী তে যতো আইটি সেক্টর আছে তার সব গুলেকে সাপোর্ট দেওয়া বা আইটি সমস্যা গুলো সমাধান করা বা সমাধানে “সহযোগী”তা করার নাম আইটি সাপোর্ট। আইটি সেক্টরকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে কোম্পানি বিশেষ কিছু সাপোর্ট প্রদান  করবে। নিচে বর্ণনা করা হলঃ

সাপোর্ট-১ঃ প্রত্যেক উপজেলা এবং জেলায় ৫ সদস্যের একটা বিশেষ টিম গঠন করা হবে। যাদের বিশেষ ভাবে ফ্রী ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করবে কোম্পানি। এই দক্ষ প্রশিক্ষনার্থীদের কাজে লাগানো হবে বাংলাদেশের আইটি সেক্টরকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে। আমরা জানি যে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের সকল স্কুল এবং কলেজে ডিজিটাল ক্লাস এর ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু এ ক্লাস এর সঠিক ব্যবহার করেন না কর্তৃপক্ষ। না করার পিছনে কিছু কারন ও আছে।

কারন-১ঃ দক্ষ কোন আইটি শিক্ষক নেই। যদিও এই বিষয়ের জন্য বিশেষ একজন কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে( তিনি দক্ষ নন)। 

উদ্যোক্তা কি করবে? আমাদের যে ৫ সদস্যের আইটি টিম থাকবে প্রত্যেক থানা এবং উপজেলায় টিম গুলের কাজ হবে এই সমস্ত স্কুল কলেজে চুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল ক্লাস বা আইসিটি ক্লাস নেওয়া। যেহেতু আমরা দক্ষ করে গড়ে তুলবো আমাদের উদ্যোক্তাদের।

কারন -২ঃ ডিজিটাল ক্লাস নেওয়ার জন্যে যে শিক্ষক কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সে তো ক্লাস নিবেই। পাশাপাশি সকল ক্লাস ডিজিটাল ক্লাস রুমে নিতে হয়। কিন্তু সকল শিক্ষক ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরী করতে পারে না। যেমনঃ পাঠ অনুযায়ী স্লাইড কন্টেন্ট তৈরী, ফটো তৈরী বা ফটো এডিট, সিলেবাস ভিত্তীক ভিডিও তৈরী ইত্যাদি।

উদ্যোক্তা কি করবে?

আমাদের ৫ সদস্যের আইটি সাপোর্ট টিমের কাজ হবে প্রত্যেক স্কুল এবং কলেজের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এসকল কাজ করে দেওয়া। যে সব শিক্ষক ডিজিটাল কন্টেন্ট করতে ব্যার্থ সে সকল শিক্ষক দের ডিজিটাল কন্টেন্ট করে দেওয়া বা করতে সহায়তা প্রদান করা।

কোম্পানির লাভঃ যেহুতু আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করবো তার মানে অবশ্যই টাকার বিনিময়ে। একটি টিম যা আয় করবে তার ৬০% টিমের জন্য এবং বাকী ৪০% কোম্পানিকে কমিশন দিতে হবে। যা সকল উদ্যোক্তার মাঝে ভাগ করে দেওয়া হবে। সুতরাং কোন উদ্যোক্তা যদি কোন রকম কাজে অংশগ্রহন না করে তবুও সে কোম্পানি থেকে নির্দিষ্ট পরিমান লাভ গ্রহন করতে পারবে।

সাপোর্ট-২ঃ বর্তমানে সব কিছু আইটি নির্ভর হয়ে পড়েছে। কিন্তু সব মানুষ আশানুরুপ আইটিতে দক্ষ না। আইটি নিভর হওয়ার কারনে সব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে গ্রহন বা প্রদান করতে হয় আইটি সেবা। যা আমরা সব সময় দিতে প্রস্তুত। বিভিন্ন রকম সাপোর্ট দিয়ে থাকবে আমাদের কোম্পানিঃ

    কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে ওয়েব ডিজাই করে দেওয়া।

    কোন ব্যক্তি বা পতিষ্ঠান কে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে দেওয়া।

    কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে লোগো ডিজাইন করে দেওয়া।

    কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করা।

    কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কোম্পানির হোস্টিং ও ডোমেইন বিক্রি করা।

    কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে মোবাইল এপ তৈরী করে দেওয়া।

    কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে সফ্টওয়্যার তৈরী করে দেওয়া।

    কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে আইটি সেটাপে সহায়তা প্রদান করা।

ইত্যদি এসকল কাজ সহ যত ধরনের আইটি কাজ আছে সবধরনের কাজে সাপোর্ট প্রদান করা। এ পর্যায়ে আসি আইটি সাপোর্ট ও ট্রেইনিং স্টোরের দ্বিতীয় অংশ আইটি ট্রেইনিং এর বর্ণনা প্রসঙ্গে। এই সেক্টরটি বেকারত্ব দূরীকরনে এক বিশাল ভূমিমকা পালন করবে।

এই অংশের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের সকল উপজেলায় একটি করে আইটি ট্রেইনিং সেন্টার থাকবে। এবং ট্রেইনিং সেন্টার টি পরিচালনা করবে দায়ীত্বরত উপজেলা পরিচালকেরা।

কি কি প্রশিক্ষন দেওয়া হবে ট্রেইনিং সেন্টার টিতে? 

ট্রেইনিং সেন্টারে আমরা বাংলাদেশের সব থেকে সেরা মানের বিশেষ বিশেষ ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করবো খুবই স্বল্প কোর্স ফি এর বিনিময়ে। অফিসিয়াল ট্রেইনিং এর পাশাপাশি ব্যবস্থা করা হবে সব ধরেেনর আইটি ট্রেইনিং ও ফ্রিল্যানসিং ট্রেইনিং এর। যা প্রশিক্ষনার্থীরা খুবই কম টাকায় করতে পারবে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে।

উদ্যোক্তার কাজঃ উপজেলা উদ্যোক্তারা কোম্পানি থেকে বিশেষ ট্রেইনিং গ্রহন করে প্রত্যেক উপজেলায় স্থাপন করবেন একটি করে “সহযোগী” আইটি পার্ক” এবং পরিচালনা করবেন সুদক্ষ ভাবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ট্রেইনার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন ইউনিয়ন পরিচালকদের।

ট্রেইনিং সেন্টার দিতে যে খরচ হবে তা কে বহন করবে?

কোম্পানির সকল প্রজেক্ট এর সম্পূর্ণ খরচ কোম্পানি বহন করবে।

কোম্পানির আয়ঃ এই ট্রেইনিং সেন্টার গুলো হতে যে টাকা আয় হবে তার ৬০% পাবে প্রজেক্ট পরিচালক এবং ৪০% কোম্পানি। যা কোম্পানির সকল উদ্যোক্তার মাধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।

সুতরাং কোন উদ্যোক্তা যদি কাজ না ও করেন তবুও প্রতি মাসে সকল উদ্যোক্তা কোম্পানির শেয়ার পাবেন।