উদ্যোক্তাদের ভিন্নধর্মী আইডিয়াকে বা পণ্যকে বাস্তবায়ন ও মার্কেটজাত করার জন্য যে প্লাটফ্রম বিনিয়োগ কারী এবং উদ্যোক্তার মধ্যে সংযোগ সাধন করে সেইসব প্লাটফ্রমকে স্টার্টআপ হেল্পিং প্রোগ্রাম বলা হয়। উন্নত বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায় উদ্যোক্তাদের জন্য স্টার্টআপ প্রোগ্রাম গুলো ফান্ডরাইজ/মূলধন সংগ্রহ  বা ফান্ডিং করার মাধ্যমে অনেক বেশী পজিটিভ প্রভাব ফেলে,যার কারণে সেই সব দেশগুলোতে বেকার সমস্যা খুবই কম এবং দেশ ও জাতির জীবন যাত্রার মান অনেক বেশী উন্নত। “সহযোগী” উদ্যোক্তাদের আইডিয়া গুলোতে যেমন ফান্ডিং করবে তেমনি বাংলাদেশের সকল উদ্যোক্তাদেরকেও সুযোগ প্রদান করার জন্য বিনিয়োগকারীদের সাথে সংযোগস্থাপন করে দিবে ফলে দেশে উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়বে এবং বেকার সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে দেশের বেকারত্বের কারণে সৃষ্ট সকল ধরনের সমস্যা সমাধান হবে,মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়বে এবং দেশ ও জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। বাস্তবধর্মী আইডিয়া এবং উদ্যোক্তা এই দুইটা বিষয়ের উপর পৃথিবীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল তাই “সহযোগী” স্টার্টআপ হেল্পিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশের সকল বাস্তবধর্মী আইডিয়াকে বিনিয়োগ করলে অনেক বেশী লাভবান হওয়া যাবে। কারণ আইডিয়া ভিত্তিক ব্যবসা গুলোতে খুবই কম সময়ে অনেক বেশী পরিমাণের আয় করা সম্ভব। যেমন মোবাইল মানি একটা আইডিয়া অল্প বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩-৪ বছরে যে পরিমাণ আয় করছে তা কয়েকটা ব্যাংকের আয়ের সমান। তাই বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের আইডিয়াতে “সহযোগী” বিনিয়োগ করলে উদ্যোক্তা ও স্বাবলম্বী হবেন এবং “সহযোগী” স্টার্টআপ হেল্পিং প্রোগ্রামও মোটা অঙ্কের টাকা আয় করতে পারবে।

সহযোগী উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম যে সকল  স্টার্ট আপ প্রজেক্ট হাতে নিবেঃ

  • ক্রিয়েটিভ  স্কুল
  • রেস্টুরেন্ট
  • শো-রুম
  • মিনি ফ্যাক্টরী
  • ফুল সার্ভিস
  • ফল সার্ভিস