ই-স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে আমরা সারা দেশের মানুষের কাছে দ্রুত স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারবো। ই-স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে আমরা যে সকল সুযোগ সুবিধা দিবো তা নিম্নরূপঃ

ই-স্বাস্থ্য সেবার সুবিধাসমূহঃ

২৪/৭ ডাক্তারের পরামর্শ

ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট

অনলাইনে ডাক্তারের সাথে চ্যাট

বাসায় গিয়ে টেস্টের স্যাম্পল কালেকশন এবং রিপোর্ট ডেলিভারি (২৫% ডিসকাউন্ট)

মেডিসিন হোম ডেলিভারি

হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন খরচের উপর ক্যাশব্যাক

ডাক্তার ফি ও টেস্টের খরচের উপর ক্যাশব্যাক

লাইফ ইন্সুরেন্স

ই-স্বাস্থ্য সেবার উল্লেখযোগ্য সেবাসমূহঃ

ফোনে ডাক্তারের পরামর্শ

ই-স্বাস্থ্য সেবা মেম্বারশিপের মাধ্যমে আপনি পাচ্ছেন ২৪/৭ ফোনে ডাক্তারের পরামর্শ এবং প্রয়োজনে এস এম এস মাধ্যমে ঔষধের (OTC) তালিকা।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট

ই- স্বাস্থ্য সেবা মেম্বারশিপের মাধ্যমে সহজেই পেয়ে যাবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট।

ক্যাশব্যাক

ই- স্বাস্থ্য সেবা মেম্বারশিপের মাধ্যমে আপনি পাচ্ছেন ডাক্তারের ফি, টেস্টের খরচ এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন খরচের উপর ক্যাশব্যাক।

টেস্ট স্যাম্পল কালেকশন ও রিপোর্ট ডেলিভারি

ঘরে বসেই টেস্টের স্যাম্পল কালেকশন ও রিপোর্ট ডেলিভারি সুবিধা পাচ্ছেন ই- স্বাস্থ্য সেবা মেম্বারশিপের মাধ্যমে।

উদ্যোক্তাদের কাজঃ এই প্রজেক্টে উদ্যোক্তারা প্রতক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করতে পারবে। একজন উদ্যোক্তা এই প্রজেক্ট এর অফিসগুলোতে বসে কিংবা আমাদের সেবা প্রচারনা করে কাজ করতে পারবেন। তবে উদ্যোক্তাকে মনে রাখতে হবে সবসময় আমাদের সেবা সবার উপরে। তাই সবসময় সকল উদ্যোক্তা কে আমাদের সেবা গ্রহনের পরামর্শ দিতে হবে।

কোম্পানির লাভঃ এই প্রজেক্ট এর মাধ্যমে কোম্পানি প্রচুর পরিমাণে আয় করবে। আমরা প্রত্যেক উদ্যোক্তা যদি সমানভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করি তাহলে কোম্পানী প্রচুর পরিমাণে আয় করবে যার বড় একটা অংশীদার হবে সকল উদ্যোক্তা।

প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনঃ সকল উদ্যোক্তাদের এই প্রজেক্টের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে প্রত্যেক উদ্যোক্তা শিখতে শিখতে আয় করবেন। সকল উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে প্রশিক্ষিত হলে আমরা আমাদের প্রজেক্টের শতভাগ সাফল্য লাভ করবো। সকল উদ্যোক্তার এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

উদ্যোক্তার আয়ঃ এই প্রজেক্টটি “সহযোগী”র অন্যতম লাভজনক একটি প্রজেক্ট। কোম্পানির আয়ের শেয়ার পাবে সকল উদ্যেক্তা। এই প্রজেক্ট থেকে একজন গ্রাম উদ্যোক্তা প্রতি মাসে ১০-১৫ হাজার টাকার উপরে আয় করতে সক্ষম হবে।