“সহযোগী”র ভিন্নধর্মী আইডিয়া

  • লক্ষ তরুন উদ্যোক্তা এবং প্লাটফ্রম

    বাংলাদেশে বর্তমানে সব চাইতে বড় সমস্যার মধ্যে অন্যতম হল বেকার সমস্যা। আর একটা দেশের উন্নয়নে সব চাইতে বড় বাধা হল বেকার সমস্যা। কারণ দেশের জনশক্তি কাজ না করলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। আর বেসরকারি উদ্যোগ বা উদ্যোক্তারা এগিয়ে না আসলে সরকারের একার পক্ষে সবার জন্য কর্মসংস্থান করা সম্ভব না । বাংলাদেশের তরুণ/তরুণীদের জন্য “সহযোগী” একটা প্লাটফ্রম হিসেবে কাজ করবে। আর ১ লক্ষ তরুন উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে যেকোন ধরনের প্রজেক্ট সফল করা খুবই সহজ একটা কাজ। আর সেই কাজটাই করছে “সহযোগী” যা “সহযোগী” একটা ভিন্নধর্মী আইডিয়া।

  • সমগ্র বাংলাদেশ কভারেজ

    কভারেজ শব্দটার মধ্যে অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ন অর্থ বা সমাধান লুকিয়ে আছে। এই পৃথিবীর যেকোন ব্যবসার উন্নয়ন নির্ভর করে ব্যবসার কভারেজের উপর। যার ব্যবসার কভারেজ বেশি তার গ্রাহকও বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। কভারেজ বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটা কোম্পানির সবচাইতে বেশি খরচ হয় প্রচারণা বা মার্ক্টেটিং সেক্টরে । কারণ প্রচারই প্রসার এই কথাটা ব্যবসার ক্ষেত্রে একটা গুরুত্ব পুর্ণ মন্ত্র। প্রতিটা পণ্যের উৎপাদন খরচের চাইতে কয়েকগুণ বেশি খরচ করা হয় প্রচারণায় ফলে পণ্যের গুণাগুণও কমাতে বাধ্য হয় এবং দামও অনেক বেশি রাখতে হয় মালিক পক্ষের । অন্যদিকে “সহযোগী”তে বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রামে ১জন করে মোট ১ লক্ষ মালিক নিজেরাই প্রচারক হিসেবে কাজ করবে ফলে ১০০% কভারেজ এর সাথে সাথে ১৭ কোটি জনগণই “সহযোগী” ভোক্তা হিসেবে “সহযোগী” সেবা এবং পন্য গ্রহন করবে। এতে “সহযোগী” প্রতিটা প্রজেক্ট খুবই কম সময়ে সফলতা পাবে এবং অনেকগুণ বেশি লাভের মুখ দেখবে।

  • পার্টটাইম কাজ কিন্তু আয় হবে ফুলটাইম এর সমান এবং আজীবন

    “সহযোগী” ১ লক্ষ উদ্যোক্তা সবাই তরুণ/তরুণী। উদ্যোক্তাগণ পার্ট টাইম কাজ করার মাধ্যমে সকল ধরণের প্রজেক্ট সফল করতে পারবে। যেহেতু সকল উদ্যোক্তা “সহযোগী” মালিক হিসেবে থাকবে তাই সকল প্রজেক্টের আয় ভোগ করতে পারবে এবং দিন দিন প্রজেক্ট আয় বাড়বে যা আজীবন সকলের জন্য একটা নিচ্ছিত আয় হিসেবে ভুমিকা রাখবে।

  • ডিজিটাল গ্রাম, ডিজিটাল উদ্যোক্তা

    বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রাম, ইউনিয়ন,থানা, জেলা এবং বিভাগের নামে একটা করে ওয়েবসাইট দেওয়া হবে। প্রতিটা ওয়েবসাইটের এডমিন প্যানেল থাকবে ঐ গ্রামের উদ্যোক্তার হাতে। একটি গ্রামে সাধারণত ২০০০-৩০০০ জন লোক বসবাস করে,প্রতিটা গ্রামে “সহযোগী” একজন করে উদ্যোক্তা থাকবে যার হাতে থাকবে ঐ গ্রামের নামে একটা ওয়েবসাইট। প্রতিটা ওয়েবসাইটের সকল ধরনের সেবা বা পণ্য গ্রামবাসীর কাছে পৌছে দিবেন উদ্যোক্তাগণ। ফলে বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনগণের কাছে অতি অল্প সময়ে এবং খুবই সহজে “সহযোগী” সকল প্রজেক্ট বা সেবা সমুহ পৌছে দেয়া সম্ভব।

  • সব উদ্যোক্তাই শিক্ষিত এবং দক্ষ

    “সহযোগী” উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই এসএসসি পাশ হতে হবে ফলে সকল উদ্যোক্তাই শিক্ষিত। এই নিয়মটি বাধ্যতা মূলক করার কারন হচ্ছে ভবিষ্যতে “সহযোগী” কোন উদ্যোক্তাকে যাতে উনাদের যোগ্যতা/দক্ষতা প্রমানের ক্ষেত্রে কোন প্রকার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে না হয়। প্রজেক্ট  এর সফলতা ও গুণগত মান বজায় রাখার জন্য প্রজেক্ট এর প্রত্যেক মালিকেরই এই বিষয় সমূহর উপর সার্টিফিকেট ও প্রশিক্ষণ থাকা প্রয়োজন। এই নিয়মটি ম্যানেজমেন্ট হতে শুরু করে গ্রাম উদ্যোক্তা/মালিক পর্যন্ত প্রযোজ্য।