এই প্রজেক্টের মুল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে বেকার সমস্যা দুরিকরনে শতভাগ নিশ্চয়তা প্রদান এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি ব্যবস্থা কে সুদ মুক্ত করে আরো এগিয়ে নেওয়ার সাথে পল্লী উন্নয়ন মুলক কার্যক্রম পরিচালিত করা। এই প্রজেক্টটি পরিচালিত হবে মাল্টিপারপাস বা ক্রেডিট পদ্ধতিতে। যা বাংলাদেশে সুদমুক্ত এনজিও প্রতিষ্টা করবে। আবার পল্লী উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড পরিচালিত করে বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের অনুন্নয়নের মূল কারন হল অনুন্নত পল্লী এলাকা। তাই আমরা এই প্রজেক্টের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন মূলক কাজ পরিচালিত করে দেশের উন্নয়নের সাথে বেকারত্ব সমস্যা ও দূরীকরনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবো।

এই প্রজেক্ট বিভিন্ন “সহযোগী” প্রজেক্টের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকবে। যে প্রজেক্ট গুলো পরিচালিত হবে “সহযোগী”র পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রধান প্রজেক্টের মাধ্যমে। উল্লেখযোগ্য কিছু প্রজেক্ট বর্ণনা করা হলোঃ

  • কিস্তিতে পণ্য বিক্রিঃ

বাংলদেশ অর্থনৈতিক ভাবে পীড়িত একটি দেশ। যেখানে মানুষ চাহিদা মেটাতে গিয়ে অপূর্নতায় হেরে যায় টাকার কাছে। অর্থনৈতিক সংকটে মিটাতে পারে না চাহিদা। কিছু সংস্থা তাদের চাহিদা মেটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এগিয়ে আসে। অথচ সুদের যাতাকলে পিশে নিঃশ্ব করে তাদের। আমরা সেসব মানুষের পাশে দাড়াবো আর চাহিদা মেটানোর প্রতিশ্রুতি দিব কোন রকম সুদ ছাড়া। ইসলামে ব্যাবসা হালাল। সুতরাং একটি পণ্য আমরা লাভ বাড়িয়ে বিক্রি করতেই পারি। তবে মেয়াদ বাড়ানো বা কমানোর উপর কখনো মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধি করবো না। এটি হালাল পন্থা। আমরা কিস্তিতে পণ্য বিক্রি করে লাভবান হবো এবং কর্মসংস্থান যোগাবো ১ লাখ উদ্যোক্তার।প্রজেক্টটি পরিচালিত হবে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। সুতরাং তৃণমূল পর্যারে উদ্যোক্তারাই কাজ করে যাবে এই প্রজেক্টে। বাংলাদেশের প্রত্যেক ইউনিয়নে থাকবে একটি করে শাখা অফিস। উক্ত অফিস গুলোয় কাজ করবে সকল উদ্যোক্তারা। এর মাধম্যে বেকারত্ব ঘুচার শতভাগ নিশ্চয়তা প্রদান করবে কোম্পানি।

  • একটি গ্রাম একটি সমাজ প্রকল্পঃ

বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর একটি দেশ। এ খাত হতে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে আসছে। বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আমরা গ্রহন করবো বিভিন্ন খমার নির্মান প্রজেক্ট। কৃষি খাতে বাংলাদেশ কে সমৃদ্ধ করবে এই প্রজেক্টটি। এটি পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর দ্বিতীয় “সহযোগী” প্রজেক্ট হিসেবে কাজ করবে।

পরিকল্পিত কিছু খামার তালিকা নিচে উল্লেখ করা হল যা বাস্তবায়ন করবে “সহযোগী”।

১।  গরু ও দুগ্ধ খামার প্রকল্প।

২। দেশি ও বিদেশি মুরগি খামার ও হ্যাচারী।

৩। নার্সারী।

৪। মৎস প্রকল্প।

৫। হাঁস ও ডিম উৎপাদনকারী প্রকল্প।

৬।  দেশি বা বিদেশী ছাগল পালন প্রকল্প।

এছাড়াও বিভিন্ন উৎপাদনমুখি প্রজেক্ট গ্রহন করবে কোম্পানি। যা পরিচালনা করবে বাংলাদেশের সকল তৃণমূল পর্য়ায়ের উদ্যেক্তা বা পরিচালক।

  • মহিলা সমিতিঃ 

প্রত্যেক গ্রামে ১০ সদস্যের একটি করে মহিলা সমিতি গঠন করা হবে। প্রতি সপ্তাহে একজন মহিলা নির্দিষ্ট পরিমান টাকা সঞ্চয় করবেন। নির্দিষ্ট মেয়াদ পরবর্তিতে উক্ত মহিলা মুনাফা সহ টাকা ফেরৎ কিংবা কোম্পানি খামার হতে গরু, ছাগল পালন মূলক প্রকল্পের আওতায় সমমূল্যের গরু কিংবা ছাগল নিতে পারেন। এবং অবশিষ্ট টাকা প্রতি সপ্তাহে কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

আমরা কোন প্রকার টাকা ঋণ হিসেবে দিবো না। আমরা শুধু পণ্য দিবো। তাই আমরা ১ লাখ উদ্যোক্তার বেকারত্ব দূরীকরনের পাশাপাশি বাংলাদেশের অস্বচ্ছল জনশক্তির স্বচ্ছলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাব এই “সহযোগী” প্রজেক্টের মাধ্যমে। উদহরন স্বরুপ আমরা কোন মহিলা কে একটি দোকান এবং দোকানের মালামাল কিনে দিয়ে সেই টাকা কিস্তিতে আদায় করবো। এতে করে আমাদের উদ্যোক্তার বেকারত্ব দূরিকরনের পাশাপাশি দূর হবে বাংলাদেশের অস্বচ্ছলতা। বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও অধিক বেগবান হয়ে যাবে।

 উদ্যোক্তার কাজঃ  উদ্যোক্তার কাজ হবে নিজ ইউনিয়ন অফিসে এই এনজিও তে কাজ করা এবং অন্যকে এনজিও সেবা গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করা।

কোম্পানির লাভঃ পল্লী উন্নয়ন মূলক সেবা প্রদান করে সেবামূল্য হিসেবে প্রচুর দেশী ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে কোম্পানি। যা সকল উদ্যোক্তার মাঝে বিতরন হবে।