মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস [ পয়সা পে ( Poysa Pay ) ]

মোবাইল মানি বর্তমান যুগে একটা খুবই প্রয়োজনীয় সেবা। পৃথিবীর সকল ধরনের সামাজিক কাজের মধ্যে মোবাইল মানি/ব্যাংকিং   অন্যতম। কারণ নিম্ম স্তরের জনগণ ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত ফলে কস্টার্জিত টাকা স্বজনদের কাছে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে না পারার কারণে অনেক পরিবার অনাহারে,অর্ধাহারে,বিনা চিকিৎসায় দুর্বিসহ জীবন যাপন করে। তাই উন্নয়নশীল দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য মোবাইল মানি খুবই প্রয়োজনীয় মাধ্যম। টাকা আদান-প্রদানের হারের উপর দেশের উন্নয়ন নির্ভরশীল ফলে একটি দেশের নিম্নস্তরের জনগণ যদি টাকা আদান-প্রদান করতে অপারগ হয় তাহলে সেই দেশের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হয়। এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে মোবাইল প্রযুক্তির সাথে টাকা লেনদেনের একটা আইডিয়া যোগ করা হয় এবং নাম দেয়া হয় মোবাইল মানি বা মোবাইল ব্যাংকিং।  বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দৈনিক লেনদেন হয় প্রায় ১০০০ কোটি টাকা।

এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশে অনেক প্রকারের মোবাইল মানি/ব্যাংকিং সিস্টেম চালু আছে। যেমনঃ বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ ইত্যাদি। প্রচলিত মোবাইল ব্যাংকিং সমূহের চাইতেও সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং সকল স্তরের মানুষের জন্য ব্যবহার উপযোগী “সহযোগী”র মোবাইল ব্যাংকিং প্রজেক্টের নাম হবে পয়সা পে ( Poysa Pay )। এই প্রজেক্ট সফল হবে কারণ অন্যান্য মোবাইল মানি থেকেও ভিন্নধর্মী ও যুগউপযোগী,সহজ ব্যবহারযোগ্য,ঝামেলা বিহীন,রিস্ক মুক্ত এবং সাথে আছে সারাদেশের কভারেজ ও ১ লক্ষ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি।

এটা “সহযোগী”র প্রজেক্টগুলোর মধ্যে অন্যতম । প্রচলিত মোবাইল মানি থেকে ভিন্নভাবে সহজেই সবস্তরের জনগণের কাছে ব্যবহার উপযোগী মোবাইল মানি “পয়সা পে” হল “সহযোগী”র অন্যতম প্রজেক্ট।

বাংলাদেশে প্রচলিত মোবাইল মানি লেনদেনে সার্ভিস চার্জ বেশি এবং রিসিভার বা টাকা গ্রহণকারীকে টাকা গ্রহণে উৎসাহিত করার কোন সিস্টেম নাই অপরদিকে  “পয়সা পে” লেনদেনে সার্ভিস চার্জ কম থাকবে এবং রিসিভার বা টাকা গ্রহণকারীকে “পয়সা পে” এর সার্ভিস চার্জ থেকে একটা পারসেন্টেজ দেয়া হবে। ফলে সকলেই চাইবে  “পয়সা পে” এর মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করতে। টাকা গ্রহণকারীর ইচ্ছাতেই মূলত টাকা লেনদেন সম্পন্ন হয় তাই মোবাইল মানি  “পয়সা পে”  সকল শ্রেণীর জনতার কাছে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত মোবাইল মানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে  “পয়সা পে” এর লেনদেন খুবই অল্প সময়ে,সহজেই ও সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতিতে করা যাবে বিধায় সকল ধরনের দোকানে  “পয়সা পে” সার্ভিস পাওয়া যাবে। ফলে গ্রাহকরা  “পয়সা পে” সার্ভিস ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে  “পয়সা পে” এর মাধ্যমে কেনাকাটা বা লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং টাকা উত্তোলন বা ক্যাশ করার পরিমাণ কমে যাবে বা প্রয়োজন হবে না। ক্যাশ টাকার পরিবর্তে মোবাইল মানি  “পয়সা পে”  ব্যবহার করে দৈনন্দিন সকল লেনদেন,কেনাকাটা ও প্রয়োজনীয় সকল কাজ সম্পন্ন করতে পারবে দেশের জনগণ। ফলে মানুষ সহজে ও নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারবে এবং জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে।

“পয়সা পে” সফল কিভাবে হবে?

বাংলাদেশে বর্তমানে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি।  ১ জন উদ্যোক্তা প্রতিদিন ৫ জনকে একাউন্ট করালে সারা দেশে ১ লক্ষ উদ্যোক্তা প্রতিদিন ৫ লক্ষ ও মাসে ১.৫০ কোটি জনের মোবাইলে একাউন্ট করাতে পারবে এভাবে ৬ মাসে সর্বমোট ৯-১২ কোটি মোবাইলে  “পয়সা পে”  একাউন্ট করা যাবে। ফলে দেশে ক্যাশ টাকার চাইতে মোবাইল মানির প্রচলন বেড়ে যাবে ফলে দেশে লেনদেনের হার বৃদ্ধি ও নিরাপদ হবে। লেনদেনের হার বৃদ্ধি হলে সরকারের, জনগণের ও দেশের উন্নয়ন হবে এবং  “পয়সা পে” এর আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

উদ্যোক্তাদের কাজঃ প্রতিদিনের চলার পথে গ্রামবাসী,পরিবার,বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের কাছে নিজের প্রতিষ্ঠান পয়সা পে এর সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে প্রচারণা করবে এবং প্রতিদিন ৫ জন করে গ্রামবাসীর মোবাইলে ফ্রীতে  “পয়সা পে” এর একাউন্ট করে দিবে।

কোম্পানির লাভঃ বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষে থাকা মোবাইল মানির গ্রাহক সংখ্যা ৪-৫ কোটি এবং তাদের আয়ের পরিমাণ কয়েকটি ব্যাংকের আয়ের যোগফলের সমান। অতএব  “পয়সা পে” এর আয় হবে দ্বিগুণ ।  “পয়সা পে” থেকে প্রতি মাসে আনুমানিক আয় হবে ২০০ কোটি টাকা । এই টাকার মালিক আপনি,আমি ও আমরা সবাই, যা অকল্পনীয় হলেও “সহযোগী”র মাধ্যমে সম্ভব হওয়া সময়ের দাবি মাত্র। তাই আসুন “সহযোগী”র যোগ্য উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করি এবং আমাদের সময়,মেধা ও শ্রম দিয়ে “সহযোগী”র পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে দেশের মানুষের সেবা করার মাধ্যমে নিজেদের সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তুলি।

প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনঃ সকল উদ্যোক্তাদের এই প্রজেক্টের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে প্রত্যেক উদ্যোক্তা শিখতে শিখতে আয় করবেন। সকল উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে প্রশিক্ষিত হলে আমরা আমাদের প্রজেক্টের শতভাগ সাফল্য লাভ করবো। সকল উদ্যোক্তার এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

উদ্যোক্তার আয়ঃ এই প্রজেক্টটি “সহযোগী”র অন্যতম লাভজনক একটি প্রজেক্ট। কোম্পানির আয়ের শেয়ার পাবে সকল উদ্যেক্তা। এই প্রজেক্ট থেকে একজন উদ্যোক্তা প্রতি মাসে ১০-১৫ হাজার টাকার উপরে আয় করতে সক্ষম হবে।