দেশের যেকোন প্রান্তে বসে সকল ধরনের পণ্য,যেমনঃ কাপড়, গয়না, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক্স, খেলনা,কসমেটিক,   মোবাইলসহ যেকোন ধরনের পণ্য পাওয়া যাবে “সহযোগী”র অনলাইন শপে। এমন কোন পন্য বাকি থাকবে না যে পণ্য খুজে পাবে না দেশের জনগণ উদাহরণ হিসেবে অ্যামাজন, ইবে, আলিবাব, ফ্লিপকার্ট ইত্যাদি এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে আছে সকল ধরনের পন্য ও সেবা।  সারা বাংলাদেশে আমাদের কভারেজ থাকবে এবং আমাদের পণ্যের গুণাগুণ ভাল মানের থাকবে বিধায় সারা বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনগণ অনলাইনে ও অফলাইনে আমাদের শপের পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী ও অব্যস্ত হয়ে যাবে। ফলে “সহযোগী”-শপ থেকে প্রচুর আয় করা সম্ভব। বাজারের চাইতে কম মূল্যে,গুণগতমান সম্পন্ন এবং ভেজালমুক্ত আসল পণ্য দেশের মানুষ ঘরে বসে অনলাইন কিংবা অফলাইনে অর্ডার করেই যদি হাতের কাছে পায় তাহলে “সহযোগী” ই-শপ হবে সবচাইতে লাভজনক প্রজেক্ট। “সহযোগী”-শপ বাজারের চাইতেও কম মূল্যে কিভাবে ভোক্তার কাছে পৌছাবে? আসলেই কি সম্ভব? এবার আসা যাক যেকোন পণ্যের খুচরা মূল্যের চাইতে পাইকারী মূল্য কম,কারণ কি? কারণ পণ্য উৎপাদনকারী্র কোন পণ্য উৎপাদনে ৩ টাকা খরচ হলে প্রচারণার জন্য খরচ করে আরো ৬ টাকা। ফলে উৎপাদনকারী ২ টাকা লাভে এজেন্টকে বিক্রয় করে ১১ টাকায়। বড় এজেন্ট থেকে মাঝারি ও ছোট এজেন্টদের হাত ঘুরে ডিলারের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতার কাছে আসে ১৮ টাকায় ঐ পণ্য খুচরা বিক্রেতা বা দোকানদার ভোক্তাদের কাছে বিক্রয় করে ২০ টাকার বিনিময়ে। বাংলাদেশের সবচাইতে বেশী কভারেজ ও বেশী প্রচারক “সহযোগী”তে থাকবে তাই গ্রাহক সংখ্যাও সবচাইতে বেশী থাকবে এটাই স্বাভাবিক। যেহেতু “সহযোগী”র গ্রাহক বেশী থাকবে তাই উৎপাদনকারি থেকে সবচাইতে কম মূল্যে অর্থাৎ ১১ টাকা দিয়েই ২০ টাকা পণ্য কিনতে পারবে “সহযোগী”-শপ । এই পণ্য ভোক্তার কাছে ১৭ টাকা দিয়ে বিক্রয় করলে দেশের সকল ভোক্তা “সহযোগী”-শপের সার্ভিস নিতে বাধ্য। অন্যদিকে উৎপাদনকারীর চাইতেও ৩গুন বেশী লাভবান হবে “সহযোগী”-শপ প্রজেক্ট। আপনি কি চিন্তা করছেন? একটা পণ্যে উৎপাদনকারীর লাভ ২ টাকা আর “সহযোগী”-শপের লাভ ৬ টাকা এইটা কিভাবে সম্ভব? জী হ্যাঁ, আইডিয়া নিয়ে ব্যবসা করলে খুবই সহজ,যা একটা ছোট ছেলেকে বুঝালেও বুজবে। এটাই “সহযোগী”র শক্তিশালী আইডিয়া যা সহজেই সফলতা নিয়ে আসবে। এই প্রজেক্ট দিয়ে সহজেই বুঝা যায় “সহযোগী” কিভাবে সকল ধরণের প্রজেক্ট থেকে বিপুল পরিমাণের সফলতা ও অর্থ আয় করবে।

অনলাইন মার্কেট প্লেস ব্যবসা সম্পর্কে ধারণাঃ  

মার্কেট প্লেসের শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় মার্কেটের এমন স্থান যেখানে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই ক্রয় বিক্রয় করতে পারে অপরদিকে অনলাইন মার্কেট প্লেস বলতে বুঝায় অনলাইনে ক্রেতা বিক্রেতা পন্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয় করা। অনলাইন মার্কেট প্লেস একটা সময় উপযোগী আইডিয়া যার গ্রহণযোগ্যতা বর্তমানে অনেক বেশি কারন অনলাইন মার্কেট প্লেসে আমরা নতুন পুরাতন সকল ধরণের পন্য নিজের ইচ্ছেমত ক্রয় বিক্রয় করতে পারি। মার্কেট প্লেস ছাড়া যদি কল্পনা করা হয় তাহলে আমাদের কোন পন্য বিক্রয় করতে অনেক সময় ও শ্রমের দরকার হত।পুর্বে আমাদের জরুরী অর্থের প্রয়োজনে কোন পণ্য বিক্রয় করতে চাইলেও অনেকদিন সময় লাগত কিন্তু বর্তমানে আমাদের সেই প্রয়োজনীয়তা টা মিটিয়ে দিচ্ছে সকল ধরনের অনলাইন মার্কেট প্লেস সমূহ। যেমনঃ আজকের ডিল, দারাজ, বিক্রয়, এখানেই, ওএলক্স সহ অনেক মার্কেট প্লেস বর্তমানে দেশে ও বিদেশে বিদ্যমান। এসব মার্কেট প্লেস নিজেদের পরিচিতি বাড়ানোর জন্য মার্কেটিং বা প্রচার-প্রচারনায় কল্পনাতীত বা বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন। যেমন বিভিন্ন মিডিয়ায়,অনলাইনের বিভিন্ন সাইটে, পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড ইত্যাদি বিভিন্ন পন্থায় বিজ্ঞাপন ও জনবল নিয়োগের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা করে থাকেন। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মার্কেট প্লেস বিক্রয় ডট কম ৩ বছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে শুধুমাত্র প্রচার-প্রচারনার জন্য কারণ তারা জানতেন এই আইডিয়া দিয়ে ব্যবসা করা সম্ভব এবং সেই রেজাল্টও এখন তারা পাচ্ছেন। মাসে তাদের আয় হচ্ছে প্রায় ২০-২৫ কোটি টাকা। কিন্তু কিভাবে? বিক্রয় ডট কম বা মার্কেট প্লেস গুলোতে গ্রাহকরা ফ্রিতে নিজেদের যেকোন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। সময়ের সাথে সাথে সেবা গ্রহণকারী অভ্যস্ত হতে থাকেন এবং গ্রাহক সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে মার্কেট প্লেস গুলোতে বিজ্ঞাপনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে গ্রাহকদের জন্য বাড়তি সুবিধা বা সেবা চালু করেন মার্কেট প্লেস কর্তৃপক্ষ। বাড়তি সুবিধা বা সেবা নিতে হলে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ সার্ভিসচার্জ প্রদান করতে হয় গ্রাহকদের। বাড়তি সুবিধা বা সেবা বলতে কি বুঝায়? উদাহরণঃ আজ থেকে ১ বছর আগে আমি দেশের প্রচলিত মার্কেট প্লেসে আমার একটা পণ্য বিক্রয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম ঐ বিজ্ঞাপন ২ দিন পর ছিল ৫০ নাম্বার সিরিয়ালে মানে ৪/৫ নং পেইজে মানে ২ দিনে আমার পরে আরো ৪৯ জন বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াতে পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়ার ২ ঘন্টার মধ্যে ১০০ নাম্বার সিরিয়ালে চলে যায়। বিজ্ঞাপন বেশি হওয়ার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে কতৃপক্ষ “পেইড সার্ভিস” চালু করেছেন। গ্রাহক চাইলে ফ্রিতেও বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং নিজের বিজ্ঞাপন বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য “পেইড সার্ভিস” ও নিতে পারবেন। প্রতিনিয়ত প্রচুর গ্রাহক এই পেইড সার্ভিসের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন ফলে মোটা অংকের টাকা আয় করছেন বর্তমান মার্কেট প্লেস সমূহ।