“সহযোগী” ই-কমার্স

Projects

বর্তমান বিশ্ব তথ্য প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। সারা বিশ্বের সকল ধরনের পণ্য,সেবা,সুযোগ সুবিধা, বিনোদন, তথ্য,খবর সব কিছুই প্রযুক্তি নির্ভর এবং অনলাইন ভিত্তিক। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ অনলাইন ব্যবহারকারী ফলে অনলাইন ভিত্তিক সেবা বা ই-কমার্স প্রজেক্ট গুলো অনেক বেশি লাভজনক ও সম্ভাবনাময়। বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত সকল ধরনের অনলাইন ভিত্তিক সেবা বা ই-কমার্স প্রজেক্ট সমূহ বাংলাদেশের গ্রামে বা শহরে বসবাসকারী অনলাইন নির্ভর সেবা থেকে বঞ্চিত এবং অনলাইন ব্যবহারকারী সকল (১৭ কোটি) মানুষের কাছে পৌছিয়ে দেওয়ায় “সহযোগী”র প্রত্যয়। 

আমরা খুবই আশাবাদী কারণ এই সব অনলাইন ভিত্তিক সেবা বা ই-কমার্স প্রজেক্ট গুলোর আয়ের পরিমাণ দিন দিন বেঁড়েই চলছে। ই-কমার্স বা অনলাইন প্রজেক্ট গুলোর মান, র‍্যাংকিং বা সফলতা নির্ভর করে ভিজিটর বা দর্শকের  পরিমাণের উপর। যে ওয়েবসাইটের বা অনলাইন প্রজেক্টের ভিজিটর যত বেশী সেই ওয়েবসাইট তত বেশী সফল অর্থাৎ ভিজিটর বেশী হলে আয়ও বেশী। এবার আসা যাক ভিজিটর বেশী হলে আয় বেশী হয় কেন? ভিজিটর বা দর্শক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে সেবা বা পণ্যের জন্য ভিজিট করে থাকে। এসব ভিজিটরের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য বিভিন্ন কোম্পানী তাদের পণ্য বা সেবার প্রচারণা মূলক বিজ্ঞাপন সমূহ ভিজিটর পুর্ণ ওয়েবসাইট গুলোতে দিতে আগ্রহী হয়,ফলে ওয়েবসাইট মালিকগণ বিজ্ঞাপন দাতা কোম্পানী গুলো থেকে টাকা নেয়। বর্তমান বিশ্বের ধনীদের তালিকায় অনলাইন ও আইডিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মালিকরাই এগিয়ে। যেমনঃ ফেসবুক, গুগুল, আলিবাবা ডট কম, আমাজন, ইবে, ফ্লিপকার্ট  ইত্যাদি । আমাদের দেশে অনেকেরই ভুল ধারনা আছে,যেমন অনেকেই মনে করে আমরা মোবাইল অপারেটর থেকে যেই এমবি বা ডাটা ক্রয় করি সেখান থেকেই একটা অংশ আমরা যেসব ওয়েবসাইট ভিজিট করি সেইসব ওয়েবসাইট মালিকরা পান। আসলে এই তথ্য ১০০% ভুল। কারণ মোবাইল অপারেটর কোন ওয়েবসাইট মালিককে টাকা প্রদান করেন না। আমরা সবাই কম বেশী সময় ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি এতে ফেসবুক আমাদের কাছ থেকে কোন ধরনের টাকা নেয় না তাহলে ফেসবুকের মালিক মার্ক জাকারবার্গ এত অল্প সময়ে বিশ্বের ১৭ নাম্বার ধনী হলেন কিভাবে? ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে আমাদের সবার কাছে অনেকপ্রিয় হয়ে ওঠেছে আজ থেকে ৫/৬ বছর আগেও ফেসবুক এত জনপ্রিয় ছিল না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ফেসবুক ব্যবহারকারী বেড়ে যাওয়াতে বিভিন্ন কোম্পানী তাদের পণ্যের বা সেবার প্রচারণার জন্য ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে থাকে ফলে দিন দিন ফেসবুকের আয় বেড়ে যায়। এভাবেই ফেসবুক প্রচুর আয় করে থাকে ঠিক একই ভাবে অনলাইন প্রজেক্ট বা ওয়েবসাইট দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানী একই সাথে নিজেদের সেবা বা পণ্যও বিক্রয় করে এবং ঐ সেবা বা পণ্য কিনতে আসা বিভিন্ন ভিজিটরকে অন্যান্য কোম্পানীর বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমেও আয় করে থাকে। এইজন্যই অনলাইনে বিনিয়োগ কম কিন্তু আয় কয়েকগুণ হয়ে থাকে। 

“সহযোগী”র ই-কমার্স বা অনলাইন প্রজেক্ট সমুহ সফল হওয়ার কারণঃ

আমরা জানতে পারলাম অনলাইন প্রজেক্ট বা ওয়েবসাইট দিয়ে কিভাবে আয় করা যায়।সকলের কাছে একটা বিষয় এখন পরিষ্কার আর তা হল অনলাইন প্রজেক্ট সমুহ সফল করার জন্য ভিজিটর দরকার। অর্থাৎ যে ওয়েবসাইটের ভিজিটর যত বেশী সেই ওয়েবসাইটের আয়ও তত বেশী।তাই বিভিন্ন অনলাইন প্রজেক্ট গুলো নিজেদের প্রজেক্ট জনগণের কাছে পরিচিত করানোর জন্য প্রচার-প্রচারণায় বা মার্কেটিং এ প্রচুর বিনিয়োগ করে থাকেন এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিচিত হওয়ার পর থেকেই ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়তে থাকে ফলে তাদের আয় শুরু হয়। অন্যান্য অনলাইন প্রজেক্ট সমুহ প্রচার-প্রচারনার জন্য  ৫০০-১০০০ কোটি টাকা খরচের মাধ্যমে ২-৩ বছরে যে পরিমাণ পরিচিতি লাভ করতে পারবে সেখানে আমরা ১ লক্ষ উদ্যোক্তা শুধু মাত্র ৫-৬ মাসের মধ্যে কোন ধরণের বিনিয়োগ ছাড়াই (শুধু মাত্র ওয়েবসাইট বানাতে অল্প টাকা খরচ) তাদের চাইতেও বেশী পরিচিতি লাভ করতে পারব । কারণ আমাদের “সহযোগী”র অনলাইন প্রজেক্ট গুলো অন্যান্য অনলাইন প্রজেক্ট সমুহ থেকে ভিন্নধর্মী আইডিয়া যুক্ত ও উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রামেই আমাদের উদ্যোক্তারা প্রতিদিন ৫ জন মানুষের কাছে আমাদের প্রজেক্ট সম্পর্কে জানালে দিনে ৫ লক্ষ, মাসে ১.৫ কোটি এবং ৬ মাসে ৯ কোটি মানুষ আমাদের প্রজেক্ট সম্পর্কে জানবে এবং পণ্য বা সেবা ভোগ করবে। অতএব এই বাস্তবভিত্তিক আইডিয়া ও সাধারণ হিসেবটা বুঝতে পারলেই “সহযোগী”র যেকোন ধরণের প্রজেক্ট কিভাবে সর্বোচ্চ সফলতায় নেওয়া যাবে তা সকলের কাছে পরিষ্কার হবে। এই কথার মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয় যে, “সহযোগী”র আসল শক্তি হলেন ১ লক্ষ উদ্যোক্তা যারা সবাই “সহযোগী”র মালিক।

সহযোগী ই-কমার্স এর আওতায় যে সকল প্রজেক্ট রয়েছেঃ

  • “সহযোগী”-শপ
  • ই-সুপার শপ
  • মার্চেন্ট মার্কেটপ্লেস
  • মেনুফেকচার মার্কেটপ্লেস